লোড হচ্ছে...
গোয়াইনঘাটের বিছানাকান্দি সিমান্তে ভারতীয় গরু, মহিষ থেকে এস আই হামিদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি। - Daily Crime Report

গোয়াইনঘাটের বিছানাকান্দি সিমান্তে ভারতীয় গরু, মহিষ থেকে এস আই হামিদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি।

August 19, 2026 10:21 PM

(সিলেট) গোয়াইনঘাট থেকে, ইউসুফ তালুকদার

সিলেটের পর্যটন ও সীমান্তঘেঁষা গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছানাকান্দি সীমান্ত এলাকায় এক পুলিশ কর্মকর্তার নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি দেখানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন সিমান্ত সহ বিছানাকান্দি সীমান্ত রুটগুলো দিয়ে প্রতিদিন আসছে, গরু, মহিষ,কসমেটিকস সহ আরও ভারতীয় পন্য এসব পন্য এগুলো পৌঁছে দিতে দাবী করা হয় পুলিশের নামে মোটা অংকের চাঁদা।
চাঁদা না দিলে শুরু হয় অভিযান প্রতি পিস গরু ১৫০০টাকা মহিষ ২০০০ হাজার টাকা নেয় এই পুলিশ কর্মকতা এবং চাঁদা না দিলে সীমান্তে এলাকা হতে ভারতীয় গরু, মহিষ, আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখান, বাধ্য হয়ে দিতে হয় চাঁদা, কেউ চাঁদা না দিলে তাের যানবাহন বঙ্গবীর পুলিশ চেক পোস্টে তাদের গতিরোধ করা হয়।

এসআই হামিদ তাঁর সরাসরি মদদে তার কনস্টেবল দিয়ে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চোরাচালানের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো বা মালামাল জব্দ করার হুমকি দেওয়া হয়। বাদ্য হয়ে এই চাঁদাদিতে হচ্ছে তাদের চাঁদা পরিশোধ করলে তাদের পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট ‘ছাড়পত্র’ বা মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়, যাতে তারা নিশ্চিন্তে চলাচল করতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিছানাকান্দি এলাকার এক স্থানীয় ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন: পাথর কোয়ারি বন্ধ থাকায় আমরা দিশে হারা হয়ে পরেছি, তাই আমরা ভারত থেকে কিছু গরু, মহিষ,এনে সীমান্ত এলাকায় ব্যবসা করে আমাদের সংসার চলে। কিন্তু এসআই হামিদের দাপট দেখিয়ে প্রতিনিয়ত আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করছে। টাকা না দিলে মালামাল আটকে রাখে এবং নানা ধরনের হয়রানি করে। তাদের এই জুলুমের হাত থেকে আমরা মুক্তি চাই।

এবিষয়ে জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি উমর ফারুক বলেন,পুলিশের কোনো কর্মকর্তা বা সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা অপপ্রচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন
🔗 0 শেয়ার
ফন্ট সাইজ:

Leave a Comment