লোড হচ্ছে...
ন্যানো সার বা তরল সার বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ - Daily Crime Report

ন্যানো সার বা তরল সার বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

July 27, 2026 7:08 PM

ন্যানো সার বা তরল সার” বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

কৃষি ডেস্কঃ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে কোনো ধরনের ন্যানো সার বা তরল সার উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ, বিপণন, পরিবহন কিংবা বিক্রির সরকারি অনুমোদন নেই। কিন্তু এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও প্রতারকচক্র নিবন্ধনবিহীন এসব অবৈধ সার বাজারজাত করছে।

তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে কৃত্রিমভাবে ফলন বৃদ্ধির প্রলোভন দেখিয়ে প্রান্তিক কৃষকদের প্রতারিত করছে। এ পরিস্থিতিতে অবৈধ ন্যানো ও তরল সারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। গতকাল রবিবার অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং থেকে দেশের ৬৪ জেলার উপপরিচালকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এসব সারের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিএইর পরিচালক ওবায়দুর রহমান মণ্ডল স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬’-এর ধারা ৮ ও ১৬ অনুযায়ী অনুমোদনহীন সার উৎপাদন, বিক্রি ও প্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

গত কয়েক মাস ধরে অনলাইনে, ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘ন্যানো প্রযুক্তির সার’, ‘জাদুকরী তরল সার’ কিংবা ‘এক স্প্রেতেই দ্বিগুণ ফলন’ এমন বিভ্রান্তিকর শিরোনামে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। এসব বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয়, প্রচলিত ইউরিয়া বা টিএসপি সারের তুলনায় ন্যানো বা তরল সার কয়েক গুণ বেশি কার্যকর এবং এতে মাটির স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।

মাঠ পর্যায়ে নজরদারি এড়াতে প্রতারকচক্রটি অনলাইনে অর্ডার গ্রহণ করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এসব সার সরবরাহ করছে। দেশজুড়ে অনুমোদনহীন সারের বিস্তার নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর কৃষি প্রশাসন সক্রিয় হয়েছে।

কৃষিবিজ্ঞানীদের মতে, ন্যানো সার বা যেকোনো তরল রাসায়নিক সার মাঠে ব্যবহারের আগে এর কার্যকারিতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং বিষাক্ততা সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। সরকারি গবেষণাগারে পরীক্ষিত ও জাতীয় সার পরিদর্শক দলের অনুমোদন ছাড়া এসব সার ব্যবহারে ফসল, মাটি, পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন
🔗 0 শেয়ার
ফন্ট সাইজ:

Leave a Comment